বাংলার আলো
শিরোনাম

ট্রাম্পের স্থগিতাদেশ বাতিল বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা প্রক্রিয়াকরণে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ম্যানহাটান শহরের জেলা জজ আদালতের বিচারক জ্যানেট ভার্গাস মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেওয়া বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত রাখার নীতি বাতিল ঘোষণা করেছেন, যা এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ অনুযায়ী কার্যকর করা হয়েছিল।

Admin Admin 10 views
ট্রাম্পের স্থগিতাদেশ বাতিল বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা প্রক্রিয়াকরণে

গত কাল শুক্রবার এই মামলার রায় দেওয়ার সময় বিচারক মন্তব্য করেন, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রদান স্থগিত রাখার কৌশল তাদের আইনি সীমার বাইরে এবং এটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নির্ধারিত ক্ষমতার পরিপন্থী। লিখিত রায়ের কপিতে বিচারক জ্যানেট ভার্গাস উল্লেখ করেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিসা প্রক্রিয়া চালু বা বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত পররাষ্ট্র দপ্তর নিয়েছে, তা মার্কিন ভিসানীতি ও মন্ত্রণালয়ের বিধিবদ্ধ ক্ষমতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

চলতি ২০২৬ সালের ১৩ জানুয়ারি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, কলম্বিয়া, মিসর, সিরিয়া ও ভেনেজুয়েলাসহ মোট ৭৫টি দেশের নাগরিকদের ভিসার আবেদন বিবেচনা, গ্রিনকার্ড ও নাগরিকত্বের আবেদন মূল্যায়ন এবং গ্রিনকার্ড তৈরির কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ আরোপ করেছে। ২১ জানুয়ারি থেকে, অর্থাৎ এর আট দিন পর, এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়।

নিষেধাজ্ঞার সমর্থনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর যুক্তি দেখিয়েছিল যে, ওই সব অঞ্চলের অভিবাসীদের মধ্যে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরতা ‘অত্যধিক’ মাত্রায় বেশি এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ করদাতারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই ৭৫ দেশের নাগরিকের ভিসা ও গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়া স্থগিতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ম্যানহাটান জেলা আদালতে রিট করেছিল অভিবাসী অধিকার রক্ষাকারী সংগঠন ক্যাথলিক লিগ্যাল ইমিগ্রেশন নেটওয়ার্ক ও আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার। গত শুক্রবার সেই মামলারই রায় ঘোষণা করেন বিচারক জ্যানেট ভার্গাস।

এর আগে গত ৩ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া জেলা জজ আদালতের বিচারক অমিত মেহতা এক মামলর রায়ে ঘোষণা করেছিলেন, বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের গ্রিনকার্ডের আবেদন পর্যালোচনায় যে স্থগিতাদেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন, তা অবৈধ।